৯৯৯-এ বছরে কল ১৩ লাখ

23

গত এক বছরে জরুরি প্রয়োজনের সেবা ৯৯৯-তে সব মিলে ১৩ লাখের ওপরে কল এসেছে। মোট কলের মাত্র ১৮ শতাংশ সেবা নিয়ে থাকেন। বাকিরা এখনও সাধারণ উৎসাহ থেকে কল করেছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ফেসবুকে অভিযোগ রিসিভ করার পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। ফলে ৯৯৯ এখন বিশেষ মাত্রা পেয়েছে।

গত বছর ১২ ডিসেম্বর পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেবা দেওয়া শুরু করে। এর আগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এক বছরের কিছু বেশি সময় ধরে পরীক্ষামূলকভাবে চলে সেবাটি।

জনগনের সেবার পরিধি বাড়ার কারণে সেবাটি পরিচালনা করতে পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। একসঙ্গে ৫০০ কল রিসিভ করার মতো সক্ষমতার একটি কল সেন্টার গড়ে তুলতে প্রকল্প তৈরি করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় ডেমরা এলাকায় শুধু ১০ তলা একটি ভবন করা হবে এ সেবা পরিচালনার জন্য।

পুলিশের তথ্য অনুসারে, গত এক বছরের ১৩ লাখের কিছু কলের মধ্যে দেখা গেছে ১০ লাখের বেশি কলই আসলে অপ্রয়োজনীয়। মোট প্রয়োজনীয় কলের ৭৫ শতাংশই আসে পুলিশি কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট। এর বাইরে ২০ শতাংশ ফায়ার সার্ভিস সেবার জন্য এবং বাকিটা অ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য।

সেবারটির অনুষ্ঠানিক যাত্রার এক বছরকে সামনে রেখে পুলিশের পক্ষ থেকে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

জানা গেছে, মোট কলের মধ্যে শিশুরা করেছে এক লাখ তিন হাজার ২৪১, নারীরা করেছেন ২৮ হাজার ৯৯৯, পুলিশি সেবায় কল ৩১ হাজার ৩৭, দমকল সেবার জন্য আট হাজার ১৫৫ এবং অ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য দুই হাজার ১২৮।

বিভাগ অনুসারে হিসাব করলে দেখা যাবে, ঢাকা বিভাগ থেকে এসেছে ৬৮ শতাংশ কল। চট্টগ্রামের কল ১০ শতাংশ, রংপুরের কল ৮ শতাংশ, রাজশাহীর ৪ শতাংশ এবং সিলেট ও বরিশাল বিভাগ থেকে এসেছে ২ শতাংশ করে কল। বাকি ১ শতাংশ ময়মনসিংহ বিভাগের কল।

২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর একসঙ্গে ১০০ কল রিসিভ করার ক্ষমতা সম্বলিত এ কল সেন্টার পুলিশ সদর দফতরে স্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয় সেবা।