সর্বনাশের কারণ হবে ‘সেক্স ডল’!

20

বর্তমানে প্রযুক্তির ছড়াছড়ি। অনেকক্ষেত্রে তা বাড়াবাড়ি। বিজ্ঞজনরা বলছেন, সব বাড়াবাড়িরই একটা ভালো-মন্দ আছে।

বিজ্ঞজনদের কথায় যুক্তি আছে। তাদের কথা মানলে মন্দের প্রভাব থেকে প্রযুক্তিই বা বাদ যাবে কেন।

ইতিমধ্যে সবারই জানা হয়েছে ‘সেক্স ডল’ বিষয়ে। প্রযুক্তির তালিকায় যুক্ত হওয়া ‘সেক্স ডল’ সাড়া ফেলেছে বিশ্বজুড়ে।

উদ্ভাবকরা বলছেন, মানব শয্যাসঙ্গিনীর সব চাহিদাই মেটাতে পারবে এটি। এমনকি একজন মানুষের অনুভূতি বুঝে নিয়ে সেগুলোও বিপরীত অনুভূতি প্রকাশ করতে পারবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে এসব করতে পারবে পুতুল।

তবে এবার চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই একসময় নাকি সর্বনাশের কারণ হবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। এমনকি ঘরের বাসিন্দা রোবটগুলো আনন্দ দেওয়ার পরিবর্তে মানুষকে হত্যাও করতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার ডিয়াকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ নিক প্যাটারসন বলেন, ভবিষ্যতে সেক্স রোবটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হ্যাকারদের কাছে অনেক সহজ হয়ে পড়েবে। আর একবার তা সম্ভব হলে দূর থেকেই মোবাইল বা কম্পিউটার দিয়ে চালনা করা যাবে রোবটগুলো। এতে সেগুলো দিয়ে সংঘটিত করা যাবে যেকোনো অপরাধ।

পিটারসন বলেন, কোনো কোনো সেক্স রোবটের ওজন ২০০ পাউন্ড পর্যন্ত এবং খুব শক্তিশালী হয়। ফলে একজন শক্তিশালী মানুষের মতো যেকোনো অপরাধ করতে পারবে সেগুলো। প্রয়োজন হবে হ্যাক করে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। আর সেটা করাও বেশি কঠিন হবে না। কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালনার জন্য সেগুলোকে সব সময় ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত রাখতে হবে।

ইতিমধ্যে যারা একটু ভিন্ন মাত্রার আনন্দের কথা চিন্তা করে ঘরে ‘সেক্স রোবট’ আনার চিন্তার করেছেন। তারা এবার সাবধান। হয়তো একটু আনন্দই আপনাকে সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হতে পারে কান্না।