সংগীতশিল্পী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করলেন মিমি চক্রবর্তী

35
ছবি: সংগৃহীত

অভিনেত্রী থেকে জননেত্রী হয়ে অনেক আগেই সংসদ সদস্য হয়েছেন মিমি চক্রবর্তী। এবার সংগীতশিল্পী হিসেবে প্রকাশ্যে এলো তার কণ্ঠে প্রথম গাওয়া রবীন্দ্রসংগীত ‘আমার পরাণ যাহা চায়’।

করোনা মহামারির মধ্যে লকডাউনের পর মিমি চক্রবর্তীই প্রথম অভিনেত্রী যিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশিকা মেনে শ্যুটিং শুরু করেন। চলতি বছরের ১ লা জুন থেকে যে এলাকাগুলি রেড জোনের মধ্যে নয়, সেগুলিতে শ্যুটিংয়ের অনুমতি দেয় সরকার। সেভাবেই নিরাপদ এলাকাতে শ্যুট করেন মিমি চক্রবর্তী।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে ‘গানের ওপারে’ দিয়েই প্রথমবার নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন মিমি। সেখানে সোহিনী চরিত্রে মিমি ছিলেন রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী। এবার বাস্তবেই তিনি রবীন্দ্রশিল্পী হয়ে উঠলেন।

এপ্রসঙ্গে মিমি বলেন, আমি যখন গত বছর আমার প্রথম হিন্দি গান ‘আনজানা’ প্রকাশ করি, তখনই শ্রোতাদের কাছ থেকে অনেক অনুরোধ পেয়েছিলাম একটি বাংলা গান গাওয়ার জন্য। লকডাউনে ‘গানের ওপারে’ ধারাবাহিকটি আবারও টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হওয়া শুরু হয়। কাজের চাপে যদিও আমি পুরো অনুষ্ঠানটি দেখার সুযোগ পাইনি। তবে এটা বুঝেছিলাম শ্রোতারা পুপের চরিত্রটি বেশ পছন্দ করছেন। তাই একদিন আমার আইপ্যাডে ‘আমার পরাণ যাহা চায়’ গানটি রেকর্ড করি এবং পরে এটি আমার সংগীত পরিচালক ডাব্বুকে পাঠিয়েও দিই। উনি সঙ্গে সঙ্গে বলেন এই গানটি রেকর্ড করা যেতে পারে। আর ঘটনাচক্রে আমার খুব পছন্দের একটি রবীন্দ্রসঙ্গীত এটা।

মিমি আরও বলেন, আমরা এই গানটি খুবই অল্প সরঞ্জাম নিয়ে নিরাপদ জায়গায় শ্যুটিং করেছি। আর এই গানটি আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমার শ্রোতা ও আমার একসময়ের মেন্টর ঋতু দা (ঋতুপর্ণ ঘোষ)-কে উৎসর্গ করেছি।

শুক্রবার মিমি চক্রবর্তীর গাওয়া এই গানটি উপস্থাপন করেছেন সংগীত পরিচালক ডাব্বু ও শ্যুট করেছেন সায়ক চক্রবর্তী।