শরীর ও মনের সুস্থতায় প্রকৃতির সাথে সময় কাটান

476

সুস্থ ও সুন্দর জীবন কে না চায়। শরীর সুস্থ থাকলে সব ভাল থাকে। কিন্তু আধুনিক জীবনে কাজের চাপ, মানসিক চাপ, শহুরে জীবন ক্রমশ মানুষকে মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ করে তুলছে। এই অবস্থায় সুস্থ ও সুন্দর জীবন কাটানোর চাবিকাঠি দিলেন গবেষকেরা। তাঁরা জানালেন এমন এক পন্থা যা অবলম্বন করে অনায়াসে ও নিখরচায় কাটানো সম্ভব মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ জীবন। নতুন এক গবেষণায় গবেষকেরা জানিয়েছেন সুস্থ শরীরে থাকতে প্রত্যেকের উচিত একটা সময় প্রকৃতির মাঝে কাটানো। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর এই গতির জীবনে সেই সুযোগ কোথায়? শহর বা নাগরিক সভ্যতার বাইরে কোথাও বাইরে কোথাও বেড়াতে গেলে একরকম। কিন্তু সাধারণ সময়ে কাজকর্ম ফেলে অন্যান্য কাজ ফেলে কার এত সময় আছে যে প্রকৃতির মাঝে কাটাতে যাবেন?

গবেষকরা এসব প্রশ্নেও উত্তর দিয়েছেন। গবেষকরা জানাচ্ছিলেন সপ্তাহের মধ্যে মাত্র ২টি ঘণ্টা প্রকৃতির মাঝে কাটালেই তা শরীরের জন্য ম্যাজিকের মত কাজ করবে। এই প্রকৃতি মানে দূরদূরান্তের কোনও নামকরা জায়গা নয়। বাড়ির পাশের পার্কে গেলেও হবে। যেখানে সবুজ ঘাস আর গাছপালা রয়েছে। সেখানে ৭ দিনের মধ্যে ২টি মাত্র ঘণ্টা কাটালেই চলবে। আর এটুকু সময় তো শহুরে মানুষও খুঁজে নিতে পারেন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।

ব্রিটেনের এই গবেষকরা জানিয়েছেন, এটা জানা ছিল যে মানুষ প্রকৃতির মাঝে সময় কাটালে তিনি সুস্থ থাকবেন। কিন্তু সেটা ঠিক কতক্ষণ হতে হবে তা জানা ছিল না। এবার সেটাই গবেষণার মধ্যে দিয়ে উঠে এল। আর যা উঠে এল তা কারও পক্ষেই অসম্ভব হওয়ার কথা নয়। প্রায় ২০ হাজার মানুষের ওপর পরীক্ষা করে গবেষকরা দেখেছেন সপ্তাহে ১২০ মিনিটের কম যাঁরা প্রকৃতির মাঝে কাটান তাঁদের শরীরে এই প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানো তেমন কোনও উপকার দেয় না। ফলে কমপক্ষে ২ ঘণ্টা কাটানোটা মাথায় রাখতে হবে।