শরীরের চাহিদা কি মরে গেছে? তবে উপায়…

97

জোর করে কারোর সঙ্গে যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হওয়া এককথায় ধর্ষণ। যখন কোনও প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ এবং মহিলা একে অপরের সঙ্গে যৌনসংসর্গ করছেন তখন ধরে নেওয়া হয় বিষয়টি নিয়ে তাঁদের দুজনেরই সম্মতি রয়েছে। কারণ শুধুমাত্র শারীরিক সম্পর্ক দিয়ে কোনও সম্পর্ক যেমন তৈরি হয় না, তেমনই ভালো কোনও সম্পর্ক টিকিয়েও রাখা যায় না। একটা মানসিক সেতুবন্ধন খুবই জরুরি।

যদি এরকম কখনও মনে হয় যে, আপনার সঙ্গীর সঙ্গে ওই ‘শোয়া’ ছাড়া আর কোনও সম্পর্ক আপনাদের মধ্যে টিকে নেই তাহলে ধরেই নিন এই সম্পর্কটার ওই পোশাকি নামটুকু ছাড়া আর কিছুই বাকি নেই। নতুন করে সম্পর্ক গড়ার উদ্যোগ আপনাদেরই নিতে হবে। কীভাবে নেবেন, দেখে নিন।

প্রতিদিন নিয়ম করে জিমে যান
নিয়ম করে সকালে উঠে শরীরচর্চা করুন। এটাকে রুটিনের মধ্যে ফেলে দিন। এর ফলে আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। রক্তচলাচল ভালো হবে। ঘুম ভালো হবে। এবং ইস্ট্রোজেন, টেস্টোস্টেরনের মতো হরমোন ভালো কাজ করবে। তাই আর দেরি নয়, ধুলো পড়া জুতো ঝেড়ে নিয়ে আজ থেকেই শুরু করুন।

স্ট্রেস থেকে দূরে থাকুন
স্ট্রেস বাড়লেই আপনার মনের উপর চাপ পড়বে। সেখান থেকে মেজাজ খিটখিটে হয়। রাতে ঘুম ভালো হয় না। কোলেস্টেরল বাড়ে। দেহে হরমোনের পরিবর্তন বা মুড স্যুইয়ের ক্ষেত্রে কোলেস্টেরলের প্রভাব খুব বেশি। প্রতিদিন যোগা, মেডিটেশন করলে এই সমস্যা অনেকখানি কমে।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খান
ভাজাভুজি মোটেও শরীরের জন্য ভালো নয়, কিন্তু আপনি যদি আলুভাজা ভালোবাসেন তাহলে ঘুমোনোর আগে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খান। মাঝেমধ্যে বার্গারও চলতে পারে। কারণ সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে বিছানায় যাওয়ার আগে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেলে যৌন উত্তেজনা বাড়ে। এছাড়াও ডার্ক চকোলেট, তরমুজ চলতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুম
বেডরুমে ঢুকলে আপনার শুধুই ঘুম পায়? কোনও রকম যৌন উত্তেজনা থাকে না? তাহলে আগে ভালো করে ঘুমিয়ে নিন। শরীরের রেস্ট আগে দরকার। কদিন ভালো মত ঘুম হলে দেখবেন যৌন উত্তেজনা এমনিই ফিরে আসছে।

ডিপ্রেশন কিন্তু অন্যতম কালপ্রিট
কর্মক্ষেত্র নিয়ে হতাশায় ভুগছেন? সেখান থেকেও কিন্তু যৌন জীবনে প্রভাব পড়ে। যদি বুঝতে পারেন ডিপ্রেশনে ভিগছেন তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান। পরামর্শ নিন। ওষুধ খান। মনকে শান্ত রাখুন।