শরীরকে বিষমুক্ত করে পেঁয়াজ

74
ছবি: সংগৃহীত

পেঁয়াজ চেনে না এমন লোক খুজে পাওয়া যায় না। পেঁয়াজ ছাড়া বাঙালির রান্নাঘর বন্ধ। বেশির ভাগ রান্নায় পেঁয়াজের দরকার পড়ে।

খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি ছাড়াও পেঁয়াজের রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। একটি বড় পেয়াজের ৮৬.৮ শতাংশ পানি, ১.২ শতাংশ প্রোটিন, ১১.৬ শতাংশ শর্করা জাতীয় পদার্থ, .১৮ শতাংশ ক্যালসিয়াম, .০৪ শতাংশ ফসফরাস ও .৭ শতাংশ লোহা থাকে।

এছাড়া পেঁয়াজে ভিটামিন-এ, বি, সি আছে। এছাড়া পেয়াজের আরো অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে। যেমন-

শরীর বিষ মুক্ত করে
পেঁয়াজে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক সালফাল যৌগ আছে যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সালফারে এমিনো এসিড আছে যা রসুন ও ডিমে পাওয়া যায়। এই এমিনো এসিডগুলোকে মিথিওনাইন ও সিস্টাইন বলা হয়। পেয়াজে ভিটামিন-সি আছে যা শরীরকে বিশুদ্ধ করে এবং সীসা আর্সেনিক ও ক্যাডমিয়াম থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়
গবেষণায় দেখা গেছে পেঁয়াজের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট কোষের ডিএনএ কে ক্ষতির থেকে বাঁচিয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এমনকি পেঁয়াজের রস টেস্ট টিউবের টিউমার সেল কে ধ্বংস করে এবং শরীরে টিউমারের বৃদ্ধি রোধ করে। পেঁয়াজের রস বিষাক্ত নয় এবং এর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। তাই যত খুশি খেলে কোন সমস্যা নেই।

যৌন ক্ষমতা বাড়ায়
পেয়াজ যৌন ক্ষমতা বাড়াতে সহয়তা করে। প্রতিদিন অন্তত এক গ্লাস করে পেঁয়াজের রস খেলে যৌন ক্ষমতা বাড়ে। এভাবে নিয়মিত খেলে যৌন ক্ষমতা প্রায় ২০০ % বেড়ে যায়। যারা পেঁয়াজের রস খেতে পছন্দ করেন না তারা খাবারের সাথে পেয়াজ খেলেও উপকার পাবেন।

হৃদপিণ্ডের জন্য উপকারি
পেঁয়াজ রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না এবং রক্তের কোলেস্টেরল কমায়। তাই পেঁয়াজ হৃৎপিণ্ডের অত্যন্ত উপকারী। অনেক কার্ডিওলোজিস্ট নিয়মিত পেযাজ খেতে বলে দেন রোগীদেরকে।

জন্ডিস প্রতিরোধে
একটি পেঁয়াজের এক চতুর্থাংশ সারা রাত লেবুর রসে ভিজিয়ে রেখে সকাল বেলা খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

কিডনির সুস্থতায়
পেঁয়াজের রসের সাথে চিনি মিশিয়ে খেলে কিডনির উপকার পাওয়া যায়।

কাশি নিরাময়ে
পেয়াজের রস, আদা এবং তুলসি পাতা একসাথে খেলে কাঁশি দূর হয়। এছাড়া যাদের দীর্ঘদিন ধরে বুকের মধ্যে কফ জমে আছে তারা প্রতিদিন সকালে এই তিন পদ মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন।

সূত্র: আয়ুর্বেদিক টিপস