মিলনের সময় নারীর মুখে কী শুনতে চায় পুরুষ?

354

আমেরিকায় বাড়ছে ‘সিঙ্গল’ পুরুষদের সংখ্যা। কিন্তু ‘সিঙ্গল’ থাকলেও তাদের ৮৩ শতাংশই কোনও না কোনও সময় শারীরিক সম্পর্ক করেছে, জানাচ্ছে একটি সমীক্ষা। শারীরিক সম্পর্কের সময় এই ‘সিঙ্গল’ পুরুষরা সঙ্গিনীর থেকে এমন অনেক কিছুই প্রত্যাশা করে, যা বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে দেখা যায়।

রিসার্চ নাও-এর করা ‘সিঙ্গল ইন আমেরিকা’ শীর্ষক সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, অবিবাহিত পুরুষরা চায় তার সঙ্গিনী খুবই যত্নশীল হবে। অর্থাৎ কামের তাড়নায় জন্তুর মতো শুধু শারীরিক সম্পর্ক নয়, বরং স্ত্রীর মতো যত্নশীল হয়ে ভাল-মন্দের খোঁজখবর নেবে সঙ্গিনী। অবিবাহিত পুরুষরা মনে করে, সঙ্গিনী তাদের প্রতি মনোযোগ দিলে শারীরিক সম্পর্কের মানবিক ছোঁয়া লাগে।

এছাড়াও ‘সিঙ্গল’ পুরুষরা যে গুণগুলি সঙ্গিনীর ভিতর খুঁজে পেতে চেষ্টা করে, তা হল- ভাল কথা বলতে পারার ক্ষমতা, ভাল চুমু খাওয়ায় পারদর্শিতা এবং অর্গাজমে পৌঁছতে সাহায্য করা।

শারীরিক সম্পর্কের সময় ভাল কথা শুনতে সব পুরুষই চায়! মূলত পৌরুষের প্রশংসা করে কোনও মেয়ে যদি কথা বলে, তা হলে পুরুষরা সুখের সাগরে ভেসে যায়। ‘তুমি কি সুপুরুষ’, ‘তোমার ওটা কত বড়’, ‘আরও জোরে দাও’ ইত্যাদি কথা শুনতে পুরুষরা পছন্দ করে। স্বাভাবিকভাবেই সঙ্গিনীর থেকেও সেই প্রত্যাশা করে থাকে।

ভাল চুমু খেতে পারে যে মেয়েরা, পুরুষরা তাদের খুবই পছন্দ করে। চুমু মানে আলতো করে চুমু খাওয়া নয়, ঠোঁটে-ঠোঁট লাগিয়ে একদম ফ্রেঞ্চ কিস! সমীক্ষায় যে ‘সিঙ্গল’ পুরুষরা অংশ নিয়েছিল, তাদের একাংশের বক্তব্য, চুমু খেতে খেতে যদি সঙ্গিনী পেনিসে হাত বুলিয়ে দেয়, তা হলে বড়ই আরাম লাগে।

শারীরিক সম্পর্কের সময় তাড়াহুড়ো করা মার্কিন ‘সিঙ্গল’ পুরুষদের পছন্দ নয়। তারা চায় অর্গাজমে পৌঁছতে। সঙ্গিনী তাদের এই চাহিদার কথা মাথায় রাখবে, এটাই পুরুষরা আশা করে।

সমীক্ষায় আরও উঠে এসেছে যে, সেক্সের সময় অধিকাংশ ‘সিঙ্গল’ পুরুষই কন্ডোম ব্যবহার করে। কারণ, বিয়ে না করে তারা যেমন নির্ঝঞ্ঝাট থাকতে চায়, তেমনই সামান্য ভুলক্রমে সন্তান এসে যাওয়া মোটেই কাঙ্খিত নয় তাদের কাছে।

সমীক্ষায় ধরা পড়েছে, ‘সিঙ্গল’ পুরুষদের ক্ষেত্রে ষাট পেরিয়েও শারীরিক সম্পর্ক যৌবনের মতোই আনন্দময় থাকে। বরং ষাটোর্ধ্ব ‘সিঙ্গল’ পুরুষা বেশি শারীরিক সম্পর্ক উপভোগ করে। মার্কিন সেক্সোলজিস্ট এমিলি ডি আয়ালা-র মতে, শারীরিক সম্পর্ক করতে করতে এক সময়ে ‘সিঙ্গল’ পুরুষরাও অভিজ্ঞ হয়ে যায়। তাই বেশি বয়সে পৌঁছে তারা শারীরিক সম্পর্কে নিপুণ হয়ে ওঠে।