দুঃসময়ে কোচকে পাশে পেলেন তামিম

135

বিশ্বকাপে তামিম ইকবালকে নিয়ে বড় প্রত্যাশা থাকলেও সে প্রত্যাশা পূরনে ব্যর্থ তামিম। ৭ ম্যাচে তার সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ৬২ রানের। ভারতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও জ্বলেনি তার ব্যাট। ফিল্ডিংয়ে রোহিত শর্মার ক্যাচ মিস করার পর তার ব্যাটে এসেছে ২২ রান। ম্যাচটি হেরে বাংলাদেশের শেষ চারে খেলার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার পর তাই সমালোচিত হচ্ছেন তামিম। তবে এই দুঃসময়ে কোচকে পাশে পাচ্ছেন তিনি।

একমাত্র হাফসেঞ্চুরিতে ২২৭ রান তামিমের, বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ। ৩২.৪২ গড়ে রান হলেও ঠিক তার সঙ্গে যায় না। তিনি ভালো শুরু এনে দিতে না পারায় প্রত্যেক ম্যাচেই মিডল অর্ডারকে কঠিন লড়াই করতে হয়েছে। তবে তার চেষ্টার কোনও কমতি দেখতে পাচ্ছেন না কোচ স্টিভ রোডস, ‘তামিম হৃদয়ের সবটুকু দিয়ে পারফর্মের চেষ্টা করেছে। আগে সে অনেক রান করেছে, যেটা সে সব সময় করতে ভালোবাসে। বিশ্বকাপে সে মন দিয়ে চেষ্টা করেও সফল হয়নি। কেন না কখনও কখনও কোনও কিছুই আপনার পক্ষে হবে না। আপনারা দেখেছেন আজকে (মঙ্গলবার) সে ভালো কয়েকটি শট খেলেছে। আমি ভেবেছিলাম দিনটা তামিমের হতে যাচ্ছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেটা হয়নি।’

তামিমের ব্যাটে সেঞ্চুরি আসবে এমন প্রত্যাশা মোটেও বাড়াবাড়ি নয়। কিন্তু সেটা হয়নি। তবে পরের বিশ্বকাপে এই ওপেনারকে নিয়ে আশাবাদী কোচ, ‘এটাই ক্রিকেট। মাঝে মাঝে অনেক চেষ্টা করেও কিছুই হবে না। তামিম সব সময় দলকে জেতানোর চেষ্টা করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এবার এমন কিছু করতে পারেনি। এবার পারেনি বলে পরে হবে না তা নয়। সে এখনও তরুণ। হয়তো ভারতে আগামী বিশ্বকাপে সে নিজের সেরাটা দিতে পারবে।’

২০০৭ সাল থেকে বিশ্বকাপ খেলছেন তামিম। তিনটি বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে ইংল্যান্ডে এসেছিলেন। কিন্তু সেটা কাজে লাগাতে পারলেন না। এতে করে তার কৌশলগত দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এনিয়ে রোডস বলেছেন, ‘আমি মনে করি না টেকনিক্যালি কোনও সমস্যা আছে। তামিম আজ দারুণ শুরু করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারেনি। উইকেটের কিছু ব্যাপার থাকে। রোহিত শর্মারও শুরুতে সমস্যা হচ্ছিল। এধরনের উইকেটে ব্যাটসম্যানদের থেকে বোলাররা সুবিধা বেশি পায়।’