টাক মাথা না চাইলে যেসব খাবার খাবেন

10
ছবি: সংগৃহীত

বয়স বাড়ার প্রাথমিক লক্ষণ চুল পড়া। তবে ব্যতিক্রমও আছে। অনেকে ৩০শের গণ্ডিতে পৌঁছানোর আগেই মাথার বেশির ভাগ চুল হারিয়ে ফেলেন। আবার একেকজনের বংশে কম বয়সেই টাক পড়ে যাওয়ার ধারা থাকে।

দূষণের কারণে, পরিচর্যার অভাবে বা পুষ্টিকর খাবার না খেলেও চুল ঝরে যায়। একবার চুল পড়া শুরু হলে, তা ঠেকানো মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। তবে কয়েকটা জিনিস মেনে চললে চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

যত খুশি মাছ খান – চুল পড়তে শুরু করলে কারই বা মাথার ঠিক থাকে বলুন? হীনম্মন্যতা বাড়তে থাকে। তাই চুল পড়া রুখতে প্রতিদিন মাছ খাওয়া জরুরি।

প্রোটিন ও খনিজ পদার্থে ভরপুর মাছ শরীরকে সুস্থ রাখে, চুল পড়া বন্ধ করে। মাছের মধ্যে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন D। এসবই চুলকে গোড়া থেকে শক্ত করে। চুলের বৃদ্ধি ঘটায়। চুল পড়া রোধ করে। নতুন করে চুল গজাতে সাহায্য করে। যে সকল কর্কটরোগীকে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়, তাঁদেরও চুল পড়া রুখতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত মাছ খাওয়ার নির্দেশ দেন চিকিৎসকরা। তাই টাক পড়ার হাত থেকে রেহাই পেতে মাছ খান প্রতিদিন।

আয়রনযুক্ত খাবার খান – চুলের বৃদ্ধি ঘটাতে ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে আয়রনের ভূমিকা অতুলনীয়। শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে অধিকাংশ মহিলাই রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ার শিকার হন। এর সঙ্গে চুল ঝরতে থাকে। তাই চুলকে বাঁচাতে শরীরে আয়রনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখা খুব জরুরি। নিত্যদিন কুমড়ো বীজের তরকারি, সয়াবিনের দুধ থেকে তৈরি দই (তফু) খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি হবে না । চুলও পড়া বন্ধ হবে ।

পর্যাপ্ত ভিটামিন B – চুল পড়া রোধ করার সঙ্গে নতুন চুল গজানোর ব্যাপারে ভিটামিন B, বায়োটিন, ফোলেট, B-2 ও B-12 প্রয়োজন। শাকসবজি, মাছ থেকে পর্যাপ্ত বায়োটিন পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে বায়োটিনের ঘাটতি মেটাতে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত।

চিন্তামুক্ত থাকতে হবে – চুল পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ অতিরিক্ত মানসিক চাপ। অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম, নানারকম ভাবনাচিন্তা, অসুখবিসুখ মানসিক চাপ বাড়ায়। ফলে চুল পড়তে শুরু করে। চুল বাঁচাতে চাইলে মানসিক চাপ থেকে মুক্ত হন। মনটাকে সর্বদা ফুরফুরে রাখুন। এতে শরীরও ভালো থাকবে, মাথা ভর্তি চুল থাকবে বহাল।