টাকা জমানোর উপায় জেনে নিন

22
ছবি: সংগৃহীত

বেশিরভাগ মধ্যবিত্তের অভিযোগ এটাই যে, বেতন পেয়েই খালি হয়ে যায় পকেট। মাসের বাকী দিনগুলো চলবে কেমন করে? দ্রব্যমূল্যের দামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে না বেতন- এটাও যেমন ঠিক, তেমনই অল্প আয়ের মধ্যেও আপনি জমিয়ে ফেলতে পারেন অর্থ- এটাও ঠিক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টাকা জমাতে না পারার নেপথ্যে দোষ বেশিটা আমাদেরই।

খুব বেশি নয়, বিশেষ কয়েকটা কৌশল অবলম্বন করলেই আপনার মানিব্যাগ বা ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট দুটিই সচল রাখা সম্ভব। একটা সময়ে দেখবেন, আপনি আপনার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে গেছেন। জমানো টাকায় আপনি কিনতে পারেন কোনো সম্পদ কিংবা নতুন করে বিনিয়োগ করতে পারেন। তাহলে জেনে নিন টাকা জমানোর কৌশল :

১. প্রথমেই মনে রাখতে হবে, আয়ের একটা নির্দিষ্ট অংশ প্রতি মাসেই জমাতে হবে আপনাকে, তা সে যত কমই হোক না কেন। তাই মাসের শুরুতে নিজের বাজেট বুঝে আগেই সেই পরিমাণ টাকা ব্যাংকে রেখে দিন। বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া কোনোভাবেই এই নিয়ম ভঙ্গ করা চলবে না।

২. মাসের শুরুতেই খরচের একটা তালিকা বানান। কোন খাতে কত টাকা খরচ করবেন সেটা ঠিক করে রাখুন। সেই অনুযায়ী খরচ করুন মাসের প্রথম থেকে।

৩. এমন কিছু যার হয়ত এখুনি দরকার নেই, কিন্তু কিনতে খুব ইচ্ছা করছে। তা হলে ‘৭২ আওয়ার টেস্ট’ কাজে লাগান। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, কিছু কিনবেন এটা চিন্তা করা এবং কেনার মধ্যে ৭২ ঘণ্টা সময় রাখুন। যদি ৩ দিন পরেও সেই জিনিসটি কেনার ইচ্ছা আপনার মনে থেকে যায়, তবেই জিনিসটি কিনুন।

৪. বিভিন্ন উপায়ে টাকা জমানোর অভ্যাস করুন। শুধু ব্যাংকে বা সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করবেন এমনটা নয়; ঘরে মাটির ব্যাংকেও আপনি টাকা জমাতে পারেন। ইচ্ছামতো সময়ে তাতে টাকা রাখতে পারবেন। তবে চেষ্টা করবেন প্রতি মাসেই টাকা রাখতে এবং ব্যাংকটি ভরার আগে সেটা ভাঙবেন না।

৫. বিমার নানা স্কিম, নিয়ম ও পদ্ধতি নিয়ে সকলেই যে জানবেন এমন নয়। আমরা অনেক সময় বুঝে উঠতেই পারি না বাজার চলতি কোন স্কিম ভালো। তাই ভুল বিনিয়োগ করার আগে বা বিনিয়োগের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। আপনার আশে-পাশেই পেতে পারেন এমন নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত লোক।