গরমে সুস্থ থাকতে যেসব খাবার খাবেন

12
ছবি: সংগৃহীত

গ্রীষ্মকালটি অন্য সব ঋতুর তুলনায় আলাদা। এ সময় সূর্যের তাপ থাকে সবচেয়ে বেশি। ফলে নানা রোগজীবাণু অনুকূল পরিবেশে মানুষের দেহে বাসা বাঁধার চেষ্টা করে। আর এ সময়ে তাই প্রয়োজন বেশি করে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া। এ লেখায় তুলে ধরা হলো গ্রীষ্মকালে সুস্থ থাকার জন্য কয়েকটি খাবার। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।

১. আখরোট
আখরোট বাদাম অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। আর গ্রীষ্মকালে আখরোট বাদাম আপনার দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। এতে রয়েছে স্বাস্থ্যকর আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এছাড়া এতে ম্যাগনেসিয়াম ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যা সেরোটোনিন ও ডোপামাইনের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। এগুলো একত্রে মানসিক অবসাদ ও বিষণ্ণতা রোধ করে। মাত্র এক আউন্স আখরোট বাদামে রয়েছে আপনার দৈনিক চাহিদার ১০ শতাংশ ম্যাগনেসিয়াম, যা আপনার দেহের বাড়তি চাহিদার বড় অংশ মেটাতে পারে।

২. কলি
পাতা কপি ধরনের একটি সবজি কলি। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে নানা ধরনের পুষ্টিকর উপাদান। এছাড়া এতে রয়েছে অল্প ক্যালরি, যা দেহ সুস্থ রাখার জন্য কার্যকর। কলিতে রয়েছে কপার, যা দেহের কোষ ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান। এছাড়া কপার মুড ভালো করে এবং মস্তিষ্কের জন্যও কার্যকর। এটি মস্তিষ্কের স্মৃতিবিধ্বংসী রোগ অ্যালঝেইমার্স থেকেও রক্ষা করে।

৩. মাছ
বিভিন্ন ধরনের মাছে রয়েছে নানা পুষ্টিকর উপাদান। এগুলো গ্রীষ্মকালে বাড়তি তাপ থেকে দেহকে রক্ষা করে এবং দেহের প্রোটিনের চাহিদা দূর করে। ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত মাছ মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। ওমেগা থ্রি মস্তিষ্কের স্বল্পমেয়াদী স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং সুস্থ ও সবল থাকতে সহায়তা করে।

৪. জাফরান
শুধু নানা ধরনের খাবারই নয়, মসলাও দেহের বহু চাহিদা পূরণ করে। এ ধরনের একটি মসলার নাম জাফরান। এটি খাবারে যেমন দারুণ রং ছড়ায় তেমন মস্তিষ্কেরও উপকার করে। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের খাবারে প্রচুর পরিমাণে জাফরান ব্যবহৃত হয়। এটি পুরুষ ও নারীর যৌন সমস্যাও দূর করে।

৫. দই
আমরা জানি, দইতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। এটি মজবুত হাড় ও দাঁতের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। এছাড়া এটি মানুষের মুডও ভালো রাখতে সহায়তা করে। গ্রীষ্মকালে দই মাথা ঠাণ্ডা রাখতে খুবই কার্যকর। এটি হজমের জন্যও উপকারি। কারণ দইতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোবায়োটিকস। এছাড়া দইয়ের পটাসিয়াম দেহের নানা কাজে প্রয়োজন হয়।