কোভিড-১৯ মোকাবেলায় স্বেচ্ছাসেবীদের পাশে লা রিভ

115
ছবি: সংগৃহীত

কোভিড-১৯ দেখা দিয়েছে বাংলাদেশেও। এই মুহুর্তে যার যা সামর্থ্য তাই নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করছে সবাই। পিছিয়ে নেই দেশের ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলোও। করোনার বিরুদ্ধে লড়তে নিজস্ব ফ্যাক্টরিতে পোশাকের বদলে স্বেচ্ছাসেবীদের জন্য মাস্ক এবং পিপিই এপ্রন তৈরি করছে লা রিভ।

পিপিই বা পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট এর দুইটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এপ্রন এবং মাস্ক তৈরিতে নিজস্ব ফ্যাক্টরির পূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগ করছে ব্র্যান্ডটি।

লা রিভ এর প্রধান নির্বাহী পরিচালক এবং ডিজাইন টিমের প্রধান মন্নুজান নার্গিস বলেন, ”স্বাধীনতার ৪৯ বছরে এসে সারাবিশ্বের সাথে আরেকটি বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছি আমরা। জন্ম থেকেই বাঙালি যোদ্ধা জাতি। আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধাস্ত্র, দক্ষ সৈন্য এমনকী উপযুক্ত প্রশিক্ষণও ছিলো কম কিন্তু মনোবল ছিলো অটুট, যার ফলে এসেছিল বিজয়। এই মুহুর্তে প্রতিটি বাংলাদেশি প্রস্তুত করোনার বিরুদ্ধে লড়তে। কিন্তু এই যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র অর্থাৎ পিপিই এবং মাস্ক কম হবার উপায় নেই। তাই পিপিই এপ্রন এবং মাস্কের যোগানে লা রিভ নিজের সামর্থ্যের একটি অংশ যোগ করার চেষ্টা করছে।”

জরুর ভিত্তিতে তৈরি এই মাস্কগুলিতে ফিউজিংসহ ৩টি স্তর ব্যবহার করা হয়েছে যা মুখের এবং নাকের সুরক্ষা দেবে। পিপিই এপ্রণগুলির জন্য ৬০ জিএসএম এর বিশেষ ডিসপোজেবল কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সুঁইয়ের সূক্ষ ফুটোও অনেক সময় শরীরকে জীবানু এবং ভাইরাসের কাছে অরক্ষিত করে ফেলতে পারে। তাই এই এপ্রণটিতে সুঁইয়ের সর্বনিম্ন ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।

লা রিভ ইতিমধ্যেই তার কর্পোরেট অফিসে মাস্ক সরবরাহ করেছে। জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী এবং স্বেচ্ছাসেবীদের মাঝে এই পিপিই এপ্রণ ও বিশেষ মাস্কটি বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছে ব্র্যান্ডটি।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই আর্ন্তজাতিক মানের পোশাক তৈরি ও বিপণণের পাশাপাশি নিয়মিত কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব পালন করে এসেছে লা রিভ। রক্তদান, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত মেডিটেশন, জাতীয় দুর্যোগে সাড়াপ্রদান ছাড়াও এই উদ্যোগটি লা রিভের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে।