কালকাসুন্দার ভেষজ উপকারিতা

42

বর্ষজীবী গাছ, এক মানুষ সমান উচুঁ হয়। ঝাড়দার গাছ, বর্ষার প্রারম্ভে বীজ থেকে গাছ জন্মায়। এর পাতা সবুজ, এক একটা লম্বা বোটায় ৫-৬ জোড়া পাতা, চটকালে কটুগন্ধ বের হয়। ফুলের রং লালচে হলদে। ফলগুলি বরবটির মত গুটি হয়, প্রত্যেক গুটিতে ২০-২৫টি বীজ পাওয়া যায়। এই গাছের পাতার শির এবং গাছের উপরের অংশটা একটু বেগুনি রং এর হয়। একে কালা কাসুন্দে বলে।

এই গাছের পাতা, ফুল, মূল অর্থ্যাৎ সমগ্র গাছ ঔষধার্থে ব্যবহার হয়। যেসব রোগে কালা কাসুন্দে ব্যবহার হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য-অরুচী, গলাভাঙ্গা, গলা-বুক জ্বালা, পাতলা পায়খানা, হুপিং কাশি,মূর্ছা, ঘুসঘুসে জ্বর, হাঁপানী এবং শরীরের চাকা চাকা ফুলে উঠা এলার্জি।

বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে পাতা সিদ্ধকরে অল্প পরিমাণ খেতে হয় অথবা পাতা এবং ফুলের রস ১-২ চা চামচ পরিমাণ খেতে হয়। আবার অনেক সময় মূলের ছাল বেঁটে খেতে হয়।

উপকারিতা
রক্ত দুষ্ট হলে:
এক তোলা পরিমাণ কালকাসুন্দার পাতার রস মিসরীর চুর্ণ্সহ সকালে খেলে রক্তদোষ নিবারিতা হয়ে থাকে।

কাশি হলে:
এক তোলা পরিমাষ কালকাসুন্দার পাতার রস এক তোলা পরিমাষ মধুসহ নিয়মিত সেবন করলে পিত্তদোষ সেরে যায়।

কোষ্ঠবিদ্ধাতায়:
কালকাসুন্দার পাতার এক তোলা পরিমাণ গরম পানি সহ নিয়মিত সেবন করলে কোষ্ঠ পরিষ্কার হয়।