আঞ্চলিক পর্যটকদের কাছ থেকে ফি আদায় করবে ভুটান

170

ভুটানে পর্যটক সংখ্যা আগের তুলনায় দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই প্রতিবেশী দেশগুলো থেকেই যাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত ও মালদ্বীপের লোকজন ভুটানে আঞ্চলিক পর্যটক হিসেবে বিবেচিত। তাদের সংখ্যা ক্রমে বৃদ্ধি পাওয়া দেশটির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে!

গোলযোগের দোহাই দিয়ে বিদেশি ট্যুর কোম্পানিগুলো ভুটান থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এছাড়া বিদেশিদের অভিযোগ বাংলাদেশি, ভারত ও মালদ্বীপের পর্যটকদের তুলনায় হোটেল রুমের ভাড়া বেশি দিতে হচ্ছে তাদের।

সম্প্রতি ফোর্থ ভুটান পে-কমিশন সুপারিশ করে, আঞ্চলিক পর্যটকদের ওপর ছোট অঙ্কের টেকসই উন্নয়ন ফি (এসডিএফ) আরোপ করতে পারে সরকার। এটি প্রয়োগের মাধ্যমে বছরে ৪ কোটি ২৫ লাখ ভারতীয় রুপি রাজস্ব আসতে পারে।

ভ্রমণপিপাসুদের গাদাগাদি সমস্যা সামলাতে সমাধান খুঁজছে ভুটান সরকার। তারা কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনাও সাজিয়েছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশিসহ আঞ্চলিক পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে একবছরের মধ্যে ফি চালু করা হচ্ছে। এই তিন দেশের নাগরিকদের বেড়ানোর জন্য নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিয়ে ভুটানে ঢুকতে হবে।

ভুটানএদিকে ভুটানে কম-বাজেটের হোটেলগুলোর ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এগুলোতে বাংলাদেশ, ভারত ও মালদ্বীপের পর্যটকরা সীমিতসংখ্যক রুম ভাড়া নেওয়ার সুযোগ পাবেন। বাকিগুলো বিদেশিদের জন্য বরাদ্দ থাকবে।

এছাড়া হোটেলের সুযোগ-সুবিধা পর্যবেক্ষণ করবে ট্যুরিজম কাউন্সিল অব ভুটান। শুধু তাই নয়, বিদেশি কত যানবাহন ঢুকছে সেদিকেও নজর রাখবে দেশটির সরকার।