স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি ই-সিগারেট : গবেষণা

ধূমপায়ীদের সিগারেট থেকে বেরিয়ে আসার উপায় দেখানো হয় ই-সিগারেটের মাধ্যমে। একে ভ্যাপিং বলা হয়। ভ্যাপিংয়ের জন্য যে তরল (জুস) ব্যবহৃত হয় তাতে সামান্য হলেও নিকোটিন থেকেই যাচ্ছে।

এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রচলিত সিগারেট থেকে বাঁচার মন্ত্র নেই ই-সিগারেটের হাতে। উল্টো কম বয়স থেকেই সিগারেটের প্রতি আসক্তি আনতে পারে ভ্যাপিং।

হঠাৎ করেই অল্প বয়সীদের মাঝে ই-সিগারেট সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। ২০০৭ সালে এটাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় আমেরিকায়। এখন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ভ্যাপিং।

অনেকেই ভাবছেন, এটা সিগারেটের থেকে অনেক নিরাপদ। কিন্তু এটা জনস্বাস্থ্যের জন্যেও হুমকি হয়ে দেখা দিতে পারে এবং ক্যান্সারের পেছনে এরও ভূমিকা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় গবেষণাপত্রে। এর সঙ্গে যারা কম বয়সে ভ্যাপিং শুরু করছেন, তাদের মধ্যে অনেক আগে থেকেই সিগারেটের নেশা প্রবেশ করছে।

আমেরিকার ডার্টমাউথ ইনস্টিটিউট ফর হেলথ পলিসি অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস এর সামির কোনেজি এবং জেমস সারজেন্ট ই-সিগারেটের গভীরে ঢুকে পড়েন। তাদের গবেষণায় এর ব্যাপক ক্ষতির নিশানা উঠে এসেছে।

কম বয়সীদের মাঝে সিগারেটের প্রতি আগ্রহ যে ভ্যাপিংয়ের কারণেই বাড়ছে, তাও উঠে এসেছে গবেষণায়। তারা পর্যায়ক্রমে কিছু গবেষণালব্ধ ফলাফল বিশ্লেষণ করেছেন। অধূমপায়ী তরুণ-তরুণীদের সংখ্যা একসময় অনেক বেশি ছিল। তাদের সবাই যে সিগারেটের প্রতি আসক্ত হয়ে ওঠেন, তাও নয়। কিন্তু আধুনিককালে ভ্যাপিংয়ের কল্যাণে এ আগ্রহ বাড়ছে। এর জন্য যে তারাও তুলনামূলক কম বয়স থেকেই সিগারেট বেছে নিচ্ছেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

তবে ই-সিগারেট কী কারণে সিগারেটের আসক্তি বাড়ায় তা ব্যাখ্যা করা হয়নি গবেষণায়। হতে পারে, ই-সিগারেট ও সিগারেট খাওয়ার পদ্ধতিতে সামঞ্জস্য রয়েছে। দুটোই হাতে থাকে। মুখে টেনে ধোঁয়া ছাড়া হয়।