সুস্থ্য থাকতে ফুল খান

ফুল দেখতে সুন্দর। ফুল ব্যবহৃত হয় নানান কাজে। এমনকি আমরা রূপচর্চায়ও এই ফুলই ব্যবহার করি। মূলত সুগন্ধি ও সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ফুলের ব্যবহার হলেও আরো নানা ক্ষেত্রে এটির ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণস্বরূপ ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ফুলের রস একটি খুবই ফলপ্রসূ উপাদান। কিন্তু ফুলের নাকি খাদ্য গুণও রয়েছে। এর ফলে শরীরের নানা জটিল অভ্যন্তরীণ সমস্যা দূর হয়।

ভারতের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফুলে ফেনোলিকস ও প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা দুরারোগ্য ব্যাধি নিরাময়ে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

কোন ফুলের কী গুণ:

গোলাপ:
চীনা চিকিৎসায় এক বিশেষ স্থান অধিকার করে রয়েছে ফুলের রাজা গোলাপ। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফেনোলিকস ও জ্বালাপোড়া বিরোধী উপাদান। বলা হচ্ছে, গোলাপে বিদ্যমান উচ্চমানের ভিটামিন হৃদরোগ, ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে কমায়।

জেসমিন:
এটি একটি সুগন্ধি ফুল। সাধারণত চা ও সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে এটি খাওয়া যায়। জেসমিনে রয়েছে এমন এক ধরনের উপাদান; যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ও ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

পিওনি:
মনোমুগ্ধকর পিওনি শুধু বিয়ে বা নান উৎসবের মঞ্চ সাজানোর জন্যই উত্তম নয়। এটি খাদ্য হিসেবেও বেশ উপাদেয়। নিয়মিত এটি খেলে হাইপার টেনশন থেকে মুক্ত থাকা যায়।

প্যানসিজ:
রঙচঙে এ ফুলটি শুধু মনই প্রফুল্ল রাখে না। বরং এটি নিয়মিত খেলে হৃদরোগ, কিডনি, উচ্চ রক্তচাপ থেকে মুক্ত থাকা যায়। কারণ, এটি উচ্চ পটাশিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ।

গাঁদা:
সাধারণত চা এর সঙ্গে এ ফুল খায় চীনারা। এর রয়েছে বহুবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতা। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সমৃদ্ধ গাঁদা চোখের দৃষ্টি ঠিক রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

ল্যাভেন্ডার:
এই সুগন্ধি ফুলটি সাধারণত আইসক্রিম ও দই এর সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়।এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে বেশ উপকারি। এছাড়া মাথায় অনেকদিন পুষে রাখা খুশকি নির্মুলে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে ল্যাভেন্ডার।

জবা:
এটি সাধারণত সালাদ ও চা-এ গুঁড়ি করে মিশিয়ে খেতে হয়। এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্থোসাইয়ানিনস; যা নিম্ন রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।