শুধু চুলের যত্নেই নয়, ঠোঁটের যত্নেও নারিকেল তেল

চুলের যত্নে নারিকেল তেলের উপকারিতার কথা আমাদের সবারই জানা। নিয়মিত নারিকেল তেল ব্যবহারে চুলের বৃদ্ধি ঘটে। সেইসঙ্গে চুলের গুণগত মানও বাড়ে। তবে শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রতঙ্গের যত্নেও যে নারিকেল তেল খুবই উপকারি সে-কথা হয়তো অনেকেরই অজানা।

ঠোঁটের যত্নে
আমরা হয়তো অনেকেই জানি না নারিকেল তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ময়েশ্চারাইজিং উপাদান। ফাটা ঠোঁটের চিকিৎসায় দারুণ কার্যকর নারিকেল তেল। এক্ষেত্রে প্রতিরাতে শোয়ার আগে ঠোঁটে তা দিয়ে সারারাত রাখতে হবে। দেখবেন তা নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ঠোঁট নরম ও আকষর্ণীয় হয়ে উঠছে। এছাড়া এটি দৈনন্দিন ব্যবহারে ঠোঁট গোলাপি হয়ে উঠছে।

ত্বকের যত্নে
নারিকেল তেলের সঙ্গে কিছু চিনি মেশান। তা ত্বকে মাখুন। ১০ মিনিট ধরে রাখুন। দেখবেন নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকে বিদ্যমান মৃত কোষ দূর হয়ে যাচ্ছে। সেইসঙ্গে বাড়ছে ত্বকের উজ্জ্বলতা। ফলে আপনি আবার সেক্সি হয়ে উঠছেন।

সংক্রমণ প্রতিরোধে
নারিকেল তেলের সঙ্গে লবণ মেশান। তা নিয়মিত ত্বকে ব্যবহার করতে থাকুন। দেখবেন অচিরেই ত্বকে বিদ্যমান সংক্রমণ, ব্রণ ও অবাঞ্ছিত দাগ দূর হয়ে যাচ্ছে। আপনি ফিরে পাচ্ছেন ত্বকের সতেজতা।

দাঁতের যত্নে
আমরা দাঁতের সুস্বাস্থ্যের জন্য কত কিছুই না ব্যবহার করি। তারপরও কাঙ্খিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। দাঁত ভেঙে যাচ্ছে, অবাঞ্ছিত দাগ দূর হচ্ছে না, পোকার আক্রমণ ঘটছেই। এ নিয়ে মোটেও আর চিন্তা নয়। প্রতিদিন তিন থেকে চার মিনিট ধরে নারিকেল তেল ও লবণ দিয়ে দাঁত মাজুন। দেখবেন এর নিয়মিত ব্যবহারে দাঁত উজ্জ্বল, ঝকঝকে, তকতকে ও আরও বলবান হয়ে উঠছে।

চুলের যত্নে
আমরা সবাই জানি নারিকেল তেল ব্যবহারে চুলপড়া বন্ধ হয় ও চুলের ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটে। কিন্তু লেবুর রসের সঙ্গে কি কখনো নারিকেল তেল মিশিয়ে ব্যবহার করেছেন? এ মিশ্রণ নিয়মিত ব্যবহারে চুলে দীর্ঘদিন ধরে বাসা বেঁধে থাকা খুশকি দূর হয়। এছাড়া এ পদ্ধতিটি চূল ধূসর বর্ণ ধারণ করার হাত থেকেও রক্ষা করে।

পায়ের যত্নে
নিয়মিত নারিকেল তেলের ব্যবহারে পা ফাটার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এজন্য আপনাকে প্রতি রাতে শোয়ার আগে পায়ের ফাটা স্থানে নারিতেল তেল ব্যবহার করতে হবে। দেখবেন এক সপ্তাহের মধ্যেই কার্যকরি ফল পাচ্ছেন।