ফুচকা খান, স্লিম হন

‘যদি স্লিম হতে চান তবে ফুচকা খান’ কথাটা শুনে অনেকের ভ্রুঁ কুচকে যেতে পারে আবার অনেকের মুখে হাসি ফুঁটে উঠতে পারে। কারন আড্ডায় যাদের ফুচকা প্রথম পছন্দ তাদের স্লিম হওয়া আর আটকায় কে !

বিশেষ করে মেয়েদের জন্য রয়েছে সুখবর। ফুচকা খেয়েও এবার রোগা থাকতে পারবেন। শুধু মেনে চলতে হবে কয়েকটা নিয়ম।

অন্ধকার নামলে পাড়ার মোড়ে টিম টিম করে জ্বলতে থাকে আলো। সেখানেই রয়েছে রসনার তৃপ্তি। সন্ধ্যে মানেই টক-ঝালে ফুচকা। কিন্তু রোগা হতে চাইলে আলো যাওয়া পর নো-ফুচকা। দুপুরেই খেয়ে নিন ফুচকা।

কন্ট্রোল। যত খুশি তত খাব! একদম নয়। গুনে গুনে ৬ টা থেকে ৮ টা-এর বেশি নয়। আসলে কোনও খাবারই বেশি খাওয়া ভালও নয়। তা সে ফুচকা হোক আর ওটস। তাই নিজের মনকে বোঝান।

আলু-কাঁচা লঙ্কা-টক জল তিনে মিলে ফুচকা। সঙ্গে রয়েছে ছোলা,মটর, লেবু, ধনেপাতা। এরমধ্যে কোনটিই শরীরের পক্ষে খারাপ নয়। কিন্তু আলুতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট। তাই পারলে আলুটা এড়িয়ে চলুন। ছোলা-মটর দিয়েই ফুচকা খান। আর সেই সঙ্গে একটা জিনিস মাথায় রাখবেন নো চাটনি ফুচকা, অনলি টক জল। তবে আপনি চাইলে দই ফুচকা খেতে পারেন। এটা খুব ভালো।

ফুচকার পাপড়ি দু’রকমের হয়। এক সুজি, দুই ময়দার। যতই মুচমুচ করুক না কেন, ডায়েট মেনে চলতে চাইলে আপন করুণ ময়দার ফুচকা, এড়িয়ে চলুন সুজির ফুচকা।

বেশি টক, বেশি ঝাল আর নুন ফুচকার মশলার এটাই ডিমান্ড। কিন্তু টক-ঝাল ঠিক থাকলেও নুন কিন্তু মোটেও ঠিক নয়। ফুচকায় একটু কম নুন খান।